
কাঁকড়া সদৃশ এই নীহারিকার কেন্দ্রে রয়েছে একটি শহরের আকার সমান চুম্বকিত নিউট্রন তারা, যা প্রতি সেকেন্ডে ৩০ বার ঘোরে। নীহারিকাটির কেন্দ্রে গ্যাসীয় ঘূর্ণির মাঝখানের এই উজ্জ্বল বিন্দুটি ক্র্যাব পালসার নামে পরিচিত। প্রায় বারো আলোকবর্ষ জুড়ে বিস্তৃত চমৎকার এই ছবিটিতে নীহারিকার কেন্দ্রের দ্যুতিমান গ্যাস, ফাঁকা স্থান এবং ঘূর্ণায়মান ফিলামেন্ট আকৃতির কাঠামোকে ফ্রেমবন্দি করা হয়েছে।
এই ছবিটিতে তিনটি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের দৃশ্যমান আলো বেগুনি রঙে, চন্দ্র এক্স-রে মানমন্দিরের এক্স-রে আলো নীল রঙে, এবং স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপের যন্ত্রের অবলোহিত আলো লাল রঙে একত্রিত করে এই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।
একটি মহাজাগতিক ডায়নামোর মতো ক্র্যাব পালসার এই নীহারিকার বিকিরণকে শক্তি জোগায় যা এর চারপাশের পদার্থে একটি শক ওয়েভ ছড়িয়ে দেয় এবং সর্পিল আকারে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনগুলোকে ত্বরান্বিত করে। সূর্যের চেয়েও বেশি ভর এবং একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সমান ঘনত্ব বিশিষ্ট এই ঘূর্ণায়মান পালসার আসলে একটি বিশাল নক্ষত্রের বিস্ফোরিত কেন্দ্রের অবশিষ্টাংশ ।
নীহারিকার বাইরের অংশটি হলো সেই নক্ষত্রের গ্যাসীয় স্তর, যা সুপারনোভা বিস্ফোরণে মহাশূন্যে ছিটকে গিয়েছিল। পৃথিবীর মানুষ ১০৫৪ সালে এই সুপারনোভা বিস্ফোরণ প্রত্যক্ষ করেছিল ।
This material is translated from Astronomy Picture of the Day (APOD) published by NASA.
Original text and editing: Robert Nemiroff (MTU) & Jerry Bonnell (UMCP)
Translated by: Sirius Translators, NOC-Bangladesh Office, IAU Office for Astronomy Outreach





Leave a Reply