তোমার কি কখনো মনে হয়েছে, আঘাতের একটা তীব্রতা পুরো জিনিসটাই শেষ করে দিতে পারে? ঠিক তেমনটাই ঘটেছিল শনির ছোট্ট গোলাকার চাঁদ মিমাসের সঙ্গে। যে আঘাতে মিমাসের এই বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছিল, সেটি আর একটু বড় হলে মিমাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিত।
এই বিশাল গর্তটির নাম হার্শেল, যা ১৭৮৯ সালে মিমাসের আবিষ্কারক স্যার উইলিয়াম হার্শেলের নামে রাখা হয়েছে। গর্তটি প্রায় ১৩০ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত, যেন মিমাসের পুরো চেহারাটাই বদলে দিয়েছে।মিমাসের ভর এতই কম যে, এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কেবল একটি গোলাকার আকৃতি ধরে রাখতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে এত দুর্বল যে এমন বিশাল গর্ত তার পিঠে জায়গা করে নিতে পারে।
মিমাস মূলত জলীয় বরফ আর কিছুটা শিলা দিয়ে তৈরি, যা একে সত্যিকার অর্থেই এক বিশাল ময়লা-মেশানো বরফের গোলা বলে বর্ণনা করতে যথেষ্ট।এই ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০১০ সালে, যখন ক্যাসিনি মহাকাশযান শনির চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে মিমাসের সবচেয়ে কাছাকাছি দিয়ে উড়ে গিয়েছিল। যেন মহাবিশ্বের এক চমকপ্রদ কাহিনী নিয়ে মিমাস নিজেই দাঁড়িয়ে আছে তোমার সামনে, তার আঘাতের চিহ্ন নিয়ে।
—————————————————————————————
This material is translated from Astronomy Picture of the Day (APOD) published by NASA.
Image Credit: NASA, JPL-Caltech, Space Science Institute, Cassini.
Original text and editing: Robert Nemiroff (MTU) & Jerry Bonnell (UMCP)
Translated by: Sirius Translators, NOC-Bangladesh Office, IAU Office for Astronomy Outreach
#SiriusTranslators





Leave a Reply