তাতাকোয়া মরুভূমিতে কি কোনো রাগান্বিত আকার তার বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করছে? না, এটি কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়। বরং এটা একাধিক লাল রঙের আলোর রেখাযুক্ত একটি বিশালাকার জেটের আকৃতি!
বজ্রবাহী মেঘের কণাগুলো যখন একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তারা তখন ইলেকট্রন হারায় এবং মেঘের নিচের অংশে ঋণাত্মক চার্জ জমা করে, বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়। মেঘের এই ঋণাত্মক চার্জ পৃথিবীর ভেতরের দিকের ঋণাত্মক চার্জগুলোকে আরও গভীরে ঠেলে দেয়, যার ফলে ভূপৃষ্ঠ ধনাত্মক চার্জযুক্ত হয়ে পড়ে। এই বিপরীত চার্জগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে এবং পরস্পরের দিকে ছুটে গিয়ে বাতাসকে অত্যধিক উত্তপ্ত করে প্লাজমার একটি সাদা আলোর ঝলকে পরিণত করে। আর একটি বিশালাকার জেটের সৃষ্টি তখন হয়, যখন মেঘের ভেতরের বিদ্যুৎ একটি দুর্বল ধনাত্মক আবরণের ভেতর দিয়ে উপরের দিকে বেরিয়ে আসে এবং এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে মেঘ থেকে সোজা উপরের দিকে ছিটকে যায়।
এরা মেসোস্ফিয়ার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যেখানে বাতাস এতটাই পাতলা যে সেখানে কোনো বজ্রধ্বনি তৈরি হতে পারে না। একেবারে উপরের দিকের আলোর রেখাগুলোকে লাল রঙের স্প্রাইটের মতো দেখাতে পারে এবং এরা উত্তপ্ত আণবিক নাইট্রোজেন থেকে এই লাল রঙটি পেয়ে থাকে।
———————————————
This picture is translated from Astronomy Picture of the Day(APOD).
Image Credit & Copyright: Mario Vargas
Translated by: Sirius Translators, NOC-Bangladesh Office, IAU Office for Astronomy Outreach.
#siriustranslators




