আমাদের শরীরের এবং পানির প্রতিটি অণুতে বিদ্যমান হাইড্রোজেন এসেছে ‘বিগ ব্যাং’ বা মহাবিশ্বের প্রাথমিক সম্প্রসারণের সময়। মহাবিশ্বে হাইড্রোজেনের অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য উৎস নেই। আমাদের শরীরের কার্বন ও অক্সিজেন উভয়ই তৈরি হয়েছে নক্ষত্রের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায়। আমাদের শরীরের আয়রন বা লোহার একটি বড় অংশ এসেছে বহু আগে ও অনেক দূরে ঘটা নক্ষত্রের সুপারনোভা বিস্ফোরণ থেকে। আমাদের গয়নায় থাকা সোনা সম্ভবত তৈরি হয়েছিল নিউট্রন নক্ষত্রের সংঘর্ষের ফলে। এই সংঘর্ষগুলো হয়তো স্বল্পস্থায়ী গামা-রশ্মির বিচ্ছুরণ বা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টির ঘটনা হিসেবে দৃশ্যমান হয়েছিল। ফসফরাস ও কপারের মতো মৌলগুলো আমাদের শরীরে খুব সামান্য পরিমাণে থাকলেও জানা সকল জীবের বেঁচে থাকা ও কার্যকারিতার জন্য এগুলো অপরিহার্য। এখানে প্রদর্শিত পর্যায় সারণিটি এমনভাবে রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা জানা সকল মৌলের পারমাণবিক উৎস সম্পর্কে মানুষের বর্তমান সেরা ধারণাটি তুলে ধরে। তবে কপার বা তামার মতো কিছু মৌল ঠিক কোথায় বা কীভাবে পারমাণবিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি এবং এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণমূলক ও গাণিতিক কম্পিউটেশনাল গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।
This material is translated from Astronomy Picture of the Day(APOD).
Image Credit: NASA’s GSFC, SVS
Translated by: Sirius Translators, NOC-Bangladesh Office, IAU Office for Astronomy Outreach.




Leave a Reply